· দীর্ঘস্থায়ী ব্যাটারি: একবার চার্জে অনেকদিন ব্যবহার করা যায়।
· বিভিন্ন ধরনের ওয়ার্কআউট ট্র্যাকিং: দৌড়ানো, সাঁতার কাটা, সাইকেল চালানোসহ বিভিন্ন ধরনের ওয়ার্কআউট ট্র্যাক করতে পারে।
· হার্ট রেট মনিটরিং: ২৪ ঘন্টা হার্ট রেট মনিটর করে।
· ব্লাড অক্সিজেন স্যাচুরেশন মনিটরিং: রক্তে অক্সিজেনের মাত্রা মাপতে পারে।
· স্লিপ মনিটরিং: ঘুমের গুণগত মান পর্যবেক্ষণ করে।
· স্মার্ট নোটিফিকেশন: কল, মেসেজ, ইমেইলসহ বিভিন্ন নোটিফিকেশন সরাসরি ঘড়িতে দেখা যায়।
· ওয়াটার রেজিস্ট্যান্ট: পানি থেকে সুরক্ষিত।